স্টাফ রিপোর্টার : দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে অকটেন ও ফার্নেস অয়েলের আরও দুটি বড় চালান আমদানি করছে সরকার। মালয়েশিয়া থেকে মোট ৫১ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল নিয়ে দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামের একটি জাহাজে প্রায় ২৬ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত অকটেন আনা হচ্ছে। আইসল্যান্ডের পতাকাবাহী এই জাহাজটি গত ৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে রওনা দেয় এবং বর্তমানে আন্দামান সাগরে অবস্থান করছে। জাহাজটি বুধবার (৮ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এছাড়া একই দিনে ‘এমটি ইস্টার্ন কুইন্স’ নামের আরেকটি জাহাজে প্রায় ২৫ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে দেশে পৌঁছাবে। জাহাজটি মালয়েশিয়া থেকেই রওনা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিপিসি।
এদিকে, ইতোমধ্যে এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী আরও দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। নাইজেরিয়া থেকে আসা ‘কুল ভয়েজার’ জাহাজে এলএনজি এবং চীন থেকে আসা ‘গ্যাস জার্নি’ জাহাজে এলপিজি রয়েছে। খালাস শেষে জাহাজ দুটি বুধবার বন্দর ত্যাগ করবে বলে জানা গেছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, বর্তমানে বন্দরের জলসীমায় একাধিক জ্বালানিবাহী জাহাজ অবস্থান করছে এবং চারটি জাহাজ থেকে একযোগে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম চলছে। এর মধ্যে ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ জাহাজ থেকে ভাটিয়ারিতে এলপিজি খালাস করা হচ্ছে, যা গত ৩১ মার্চ ভারত থেকে আসে। এছাড়া ৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে ডিজেল নিয়ে ‘শ্যান গ্যাং ফা শিয়ান’ জাহাজটিও বন্দরে পৌঁছায়।
বিপিসির সহকারী ব্যবস্থাপক (গণসংযোগ) ফারজিন হাসান মৌমিতা জানান, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিপিসি নিয়মিতভাবে জ্বালানি আমদানি কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।