বিশেষ প্রতিবেদন: পূর্ব শত্রুতার জের ধরে, বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুর এবং লুটের অভিযোগ উঠেছে। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার, মহিনন্দ ইউনিয়নের, মাইজপাড়া গ্রামের মৃত সোলাইমান এর পুত্র সেলিম সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে।
- এ ব্যাপারে একই গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম বলেন, বিগত কয়েক মাস পূর্বে আসামিগণ আমার ফুফাতো ভাই শরীফকে আমার বাড়িতে ফেলাইয়া ইফতারের সময় নৃশংসভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়া কুপাইয়া খুন করিয়া ফেলে। উক্ত বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানায় মামলা হয়। যার মামলা নং ১১,৩,২০২৫, এই মামলাটি আমি পরিচালনা করি। আমার আত্মীয় হিসেবে, আমি মামলাটি সঠিকভাবে পরিচালনা করায়, আসামিগণ আমার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে পড়েন এবং আমাকে বারবার প্রাণনাশের চেষ্টা করেন। আমি আমার জীবন রক্ষার্থে, তাদের বিরুদ্ধে আদালতের, ১০৭ধারায় মামলা করি, এরই পরিপ্রেক্ষিতে আসামিগণ আমার এবং আমার লোকজনের দোকান এবং বাড়িঘর ভাঙচুরের পরিকল্পনা করে, এরই জেড ধরে গত, ০৯-০১-২০২৬রাত ১০ ঘটিকায় সেলিম, রাজু এবং জিসান সহ ১৫/২০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল আমার বাড়িতে প্রবেশ করে আমাকে বাড়িতে না পেয়ে আমার বাড়িঘর ও আসবাবপত্র ভাংচুর করে। পরবর্তীতে সেলিমের নেতৃত্বে ১০-১৫টি, মোটরসাইকেল সহ আমার জালালপুর বাজারস্ত সেলুনের দোকানে প্রবেশ করে আমাকে জোর করে দোকান থেকে বের করে মারধর করে, আমাকে দোকান থেকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে, আমি আমার প্রাণ বাঁচানোর জন্য চিৎকার করতে থাকি, আমার ডাক চিৎকার শুনে আশপাশে থাকা লোকজন আমাকে, তাদের হাত থেকে রক্ষা করে।
পরবর্তীতে এলাকার লোকজন একত্রিত হয়ে তাদেরকে, প্রতিহত করেন, তারা চলে যাওয়ার সময় আমাকে হুমকি দিয়ে যায়, তারা আমাকে যেকোনো সময় খুন করিয়া ফেলবে। এ ব্যাপারে আমি এলাকাবাসীর সঙ্গে পরামর্শ করে, আদালতে মামলা গ্রহণের জন্য, প্রস্তুতি নেই।তারা আমার বাড়িঘর ভাঙচুর করার সময়, আমার বাড়ি হইতে, নগদ প্রায় ৩ লক্ষ টাকা এবং প্রায় এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন নিয়ে যাই। তাই আমি বর্তমান সরকার এবং প্রশাসনের কাছে আমার জীবন রক্ষার জন্য, আকুল আবেদু জানাচ্ছি। এলাকাবাসী উক্ত সন্ত্রাসীদের নির্যাতনের ঘটনা দেখেছে, তারা ওই সন্ত্রাসীদের ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। আমি আমার ফুফাতো ভাইয়ের হত্যাকারীদের উপযুক্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।