জেসমিন জাহান দিপ্তী, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের ১৪ জন বৈধ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
২১ জানুয়ারি দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব প্রতীক বরাদ্দ দেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান। প্রতীক বরাদ্দ অনুযায়ী শেরপুর-১(সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডাঃ সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা পেয়েছেন ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা, এনসিপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ লিখন মিয়া পেয়েছেন শাপলা কলি, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মোঃ মাহমুদুল হক মনি পেয়েছেন লাঙ্গল এবং বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ পেয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীক।
শেরপুর-২ (নকলা–নালিতাবাড়ী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী মোঃ ফাহিম চৌধুরী পেয়েছেন ধানের শীষ, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মোঃ গোলাম কিবরিয়া পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী মোঃ আব্দুল্লাহ আল কায়েস পেয়েছেন হাতপাখা এবং এবি পার্টি মনোনীত প্রার্থী মোঃ আব্দুল্লাহ বাদশা পেয়েছেন ঈগল প্রতীক।
এদিকে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ মাহমুদুল হক রুবেল পেয়েছেন ধানের শীষ, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাওলানা নুরুজ্জামান বাদল পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী মুফতি আবু তালেব মোঃ সাইফুদ্দিন পেয়েছেন হাতপাখা এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল মনোনীত প্রার্থী মোঃ মিজানুর বাদশা পেয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীক।
প্রতীক বরাদ্দের সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও তাঁদের প্রতিনিধিরা নিজ নিজ প্রতীক স্বাক্ষর করে বুঝে নিলেও শেরপুর-১ আসনের এনসিপি মনোনীত প্রার্থী অনুপস্থিত থাকায় তাঁর পক্ষে কেউ প্রতীক গ্রহণ করেননি। প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল আমিন (পিএসসি), শেরপুরের পুলিশ সুপার মোঃ কামরুল ইসলাম, এনএসআইয়ের উপপরিচালক মোঃ ইফতেখারুল হক, জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, প্রার্থী, সমর্থক, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যবৃন্দ।