নিজস্ব প্রতিবেদক: টাংগাইল মির্জাপুর উপজেলার কুমুদিনী হসপিটাল এ কর্মরত ডক্টর খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে অপ চিকিৎসা ও ভুয়া সনদ ব্যবহার করে ডাক্তারি পেশা কলুষিত করার নানান অভিযোগ পেয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে জাতীয় গণমাধ্যম।
ইতিমধ্যেই সংবাদটি নজর এনে টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মরত অফিসারের মৌখিকনির্দেশনায় মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ডাক্তার ফরিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত গত ৯ তারিখ খোরশেদের বিষয়ে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে সাত দিনের মধ্যে পুরানাঙ্গ রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই তদন্ত কমিটির প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে।
বিগত দিনের ডাক্তারি পেশায় কৃতকর্ম পর্যালোচনা করে অনেক ডাক্তার বলছেন, আর্থিক বাণিজ্যের মাধ্যমে তদন্তের রিপোর্ট তার পক্ষে নেওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এছাড়াও কয়েক দফায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন হওয়ার পরও কুমুদিনি হসপিটাল তার বিরুদ্ধে কোন প্রকার ব্যবস্থা নেয়নি। উল্টো সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া স্থানীয় সংবাদ কর্মীদের সাথে খারাপ আচরণ করেছেন। তার সনদ সহ সকল কাগজপত্র পরীক্ষা করবেন বিএমডিসি এমনটাই আমরা জানতে পারতেছি।
স্থানীয় কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মী বলেন,ডাক্তার খোরশেদ শুধু ভুয়া ডাক্তার নন ওনি সারা বাংলাদেশের ভুয়া ডাক্তারদের প্রধান হয়ে ঢাকা টাঙ্গাইলে কাজ করছেন। ভুয়া ডাক্তারদের বিরুদ্ধে কোন সময় সংবাদ প্রকাশ বা কোন প্রকার চাপ প্রয়োগ হলেই তিনি কনসাল্টের মত কাজ করেন। এবং হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। সামান্য ডাক্তারের পেশায় থেকে কয়েক বছরের প্রায় ৮ থেকে ১০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন তিনি। এগুলো নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করার কারণেই কাল হয়েছে স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যম কর্মীদের।