‘তুফান’-এর রেকর্ড ভাঙা সাফল্য: হলিউড-বলিউডকে পেছনে ফেলল শাকিব খানের সিনেমা

অনলাইন ডেক্স: দেশের সর্বাধুনিক সিনে থিয়েটার স্টার সিনেপ্লেক্স তাদের ২০ বছরের সফল পথচলা উদযাপন করেছে চলতি অক্টোবর মাসে। এই দীর্ঘ সময়ে দর্শকদের বিনোদন দেওয়ার পাশাপাশি মানসম্মত দেশি-বিদেশি সিনেমা প্রদর্শন করে তারা হয়ে উঠেছে এক নির্ভরযোগ্য নাম।

এবার সেই স্টার সিনেপ্লেক্সে ইতিহাস গড়েছে সুপারস্টার শাকিব খান অভিনীত সিনেমা ‘তুফান’। রায়হান রাফী পরিচালিত এবং ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত এই সিনেমাটি সাফল্যের দিক থেকে পিছনে ফেলেছে হলিউডের ‘অ্যাভেটর’ এবং বলিউডের ‘জওয়ান’-এর মতো সুপারহিট সিনেমাকে।

সাফল্যের মাইলফলক
স্টার সিনেপ্লেক্সের জ্যেষ্ঠ বিপণন কর্মকর্তা মেজবাহ আহমেদ বলেন, ‘তুফান’ এই বছরের সবচেয়ে দর্শকনন্দিত সিনেমা। শুধু তাই নয়, গত ২০ বছরে সিনেপ্লেক্সে যত সিনেমা প্রদর্শিত হয়েছে, তার মধ্যে ‘তুফান’ সব দিক থেকে সেরা।’

তিনি আরও বলেন, সিনেমাটি মুক্তির দুই মাস পর দেশের পরিস্থিতি ছাত্র-জনতার আন্দোলনের কারণে অস্থির হয়ে পড়ে। এর প্রভাব সিনেমা হলের দর্শকসংখ্যাতেও পড়েছিল। কিন্তু দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে ‘তুফান’ হয়তো আরও অনেক রেকর্ড গড়তে পারতো।

‘অ্যাভেটর’ ও ‘জওয়ান’-কে টপকানো
এর আগে স্টার সিনেপ্লেক্সের সবচেয়ে লাভজনক সিনেমা ছিল হলিউডের ‘অ্যাভেটর’ এবং বলিউডের ‘জওয়ান’। তবে শাকিব খান, ওপার বাংলার মিমি চক্রবর্তী এবং বাংলাদেশের মাসুমা রহমান নাবিলা অভিনীত ‘তুফান’ সেই দুই সিনেমাকে পেছনে ফেলে এখন শীর্ষে অবস্থান করছে।

বাংলা সিনেমার জন্য নতুন দিগন্ত
‘তুফান’-এর এই সাফল্য শুধু একটি সিনেমার সাফল্য নয়, এটি বাংলা সিনেমার জন্য এক নতুন দিগন্তের সূচনা। এটি প্রমাণ করেছে, মানসম্মত নির্মাণ, শক্তিশালী গল্প এবং তারকাদের অভিনয়ের সমন্বয়ে বাংলা সিনেমাও আন্তর্জাতিক মানের ব্যবসা করতে সক্ষম।

শাকিব খান ও রায়হান রাফী জুটির এই সিনেমা শুধু বক্স অফিসেই ঝড় তুলেনি, দর্শকদের হৃদয়েও জায়গা করে নিয়েছে। ‘তুফান’-এর সাফল্য আগামী দিনে বাংলা সিনেমার জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।